জ্ঞানের কোন শেষ নেই। জন্ম থেকেই শিখছি, তারপর ও মনে হয় তেমন কিছুই শিখিনি। তারপরও যা শিখছি তা ইনশাহ আল্লাহ সবার সাথে শেয়ার করতে চেষ্টা করব।
সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১২
লিভিংরুম-২ (living room)
লেবেলসমূহ:
ইন্টেরিয়র,
interior,
living room
রবিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১২
লিভিং রুম(living room)
বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১২
শক্তিশালী ব্রেইনের জন্য
ব্রেইন আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু কখনো কি আমরা ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা ভেবেছি!শুধু অভিযোগ করে যাই "আমার মাথা ঠিকমত কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না!"অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি ও এর্নাজী দরকার।টোটাল বডি এর্নাজীর ২০% ব্রেইন ব্যবহার করে।
তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে।
যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টে:
তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে।
যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টে:
১.স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- যা ব্রেইন গঠন করবে:
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত ও নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে।এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিক ভাবে ভাল অনুভব করায়।oleic acid ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে।Olive oil, peanut oil থেকে oleic acid পাওয়া যায়।
২.Antioxidants- যা ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়:
খাবারে Antioxidants এর অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে।তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। Antioxidants এর ভাল উৎস হল-সবুজ চা, ব্লুবেরী ও অন্যান্য বেরী জাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটো,গাজর,রসুন,পালং শাক,whole grains ও সয়া দ্রব্য।
৩.ভিটামিন ও মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইট:
সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে খুবই প্রয়োজন।ব্রেইনের কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12, and B6।
মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-ক্যালসিয়াম ও আয়রন।এসব ভিটামিন ও মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে।
৪.আশঁ - যা ফুয়েল সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে:
ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। রক্তে এই গ্লুকোজের সরবরাহ ধীর ও নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আশঁ জাতীয় খাবার।ভাল পরিমানে আশঁ পাওয়া যাবে :শুষ্ক ফল (কিছমিছ, খেজুর,কালো কিছমিছ), বিভিন্ন রকমের শাক,সবজি,আস্ত ফল (যেমন-আপেল,কমলা,নাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চাল,বিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)।
৫.পানি- আদ্র রাখবে ব্রেইনকে:
সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। তাই কমপক্ষে ২.৫-৩ লিটার পানি দৈনিক পান করা উচিত।
৬.কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন:
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার serotonin এর লেভেল ঠিক রাখে।ঘুমের ধরন, মুড,appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে।
এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotonin। তাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে।
৭.প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহ:
আগেই বলেছি,ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে।আর নিয়মিত খাবার গ্রহন না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। এর ফলে মেমোরী লস হতে পারে। তাই দেখা যায় যারা সকালের নাস্তা বাদ দেয় তাদের স্মৃতি শক্তি দূর্বল হয়।খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি।
৮.সীম (Fava Beans):
সীমে খুব ভাল পরিমানে আছে levodopa , আমাদের ব্রেইন levodopa কে dopamine এ রুপান্তরিত করে। dopamine ব্রেইনের বিশেষ কিছু কাজ (concentration, motivation ও movement) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন হয়।
৯.Herbs:
Herbs খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে।Herbs স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়,মনোযগ বাড়ায়,মানসিক সতর্কতা বাড়ায়।
১০.মাছ:
প্রোটিন হল neurotransmitters তৈরীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর neurotransmitters mental performance এর জন্য প্রয়োজন।মাছ হল প্রোটিনের খুবই ভাল উৎস। এছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধন,সুরক্ষা ও কাজের জন্য প্রয়োজন।
১১.বিভিন্ন রকমের বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার ,ফুলকপি, ব্রোকলী,বাধাকপি ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী।
ব্রেইনের যত্ন নিন,পুষ্টি যোগান । ব্রেইনও আপনাকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।
Source: http://www.sasthabangla.com/know-yourself/tips/health-tips/448-for-strong-memory#ixzz1ptnkqalg
Under Creative Commons License: Attribution No Derivatives
ফিটনেস : অ্যারোবিক এক্সারসাইজ
যে কোনো বিষয়য়েই অনুশীলন একটি পজেটিভ বিষয়। আর শরীর-মন ভালো রাখতে শরীরেও অনুশীলন প্রয়োজন। সুস্থ থাকতে খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প কিছু নেই। অনেক সময়ই হয়তো বাইরে জিমে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই বাড়িতে বসেই করার মতো কিছু অনুশীলন বা এক্সারসাইজ নিয়ে আজকের আলোচনা।
অ্যারোবিক শব্দের অর্থ ‘উইথ অক্সিজেন’ অ্যারোবিক ওয়ার্ক-আউটের ফলে শরীরে, অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে, হার্ট, ফুসফুস, ব্লাড ভেসেল অথাৎ সমগ্র কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম ভালো রাখে। অ্যারোবিক এক্সারসাইজ মূলত শরীরের বড় মাংসগুলোকে টার্গেট করে। নিয়মিত এক্সারসাইজে হার্টবিটে রক্ত পাম্প করতে পারে। ফলে শরীরের টিসুতে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছে সহজেই। এতে ফিটনেস লেভেল বেড়ে যায়। আর তার জন্য হাঁপানি ছাড়াই অনেকক্ষণ এক্সারসাইজ করতে পারেন।
অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করতে পারেন যারা
অ্যারোবিক এক্সারসাইজ মোটামুটি সবাই করতে পারেন। তবে যাদের বয়স ৪০-এর ঊর্ধ্বে তারা এক্সারসাইজের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, হাই ব্লাডপ্রেশার বা যে কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন কিংবা ওবেসিটিতে ভোগার কারণে দীর্ঘদিন ইন-অ্যাক্টিভ ছিলেন তারাও এক্সারসাইজের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। অবশ্য দেখা গিয়েছে যে, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, আর্থ্রাইটিস, প্রিমেসস্টুয়াল সিন্ড্রোম বা হার্টের রোগে ভুগছেন তারা অ্যারোবিক এক্সারসাইজে অনেক উপকৃত হয়েছেন।
কয়েকটি অ্যারোবিক এক্সারসাইজ
প্রচুর ধরনের অ্যাক্টিভিটি এই ওয়ার্ক-আউটের মধ্যে পড়ে। তবে সবচেয়ে সাদামাটা কিংবা সহজ অ্যারোবিক হলো হাঁটা। এ ছাড়া সাইকেল চালানো, দৌড়ানো, স্কিপিং, রোলার স্কেটিং, বাস্কেটবল খেলাও এর অন্তর্ভুক্ত।
হাঁটা: যারা সদ্য এক্সারসাইজ শুরু করেছেন বা যাদের মূল লক্ষ্য অতিরিক্ত ওজন কমানো, তাদের ক্ষেত্রে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। তবে এক্ষেত্রে ধৈর্র্য ধরতে হবে। আস্তে আস্তে হাঁটার সঙ্গে জগিংও আরম্ভ করতে হবে। জগিং হাঁটার চাইতে বেশি ইনটেন্স তাই তাড়াতাড়ি ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে।
সাইকেল চালানো: (আউটডোর বা স্টেশনারি) যারা অ্যাক্টিভ থাকতে পছন্দ করেন বা খেলাধুলায় রুচি রাখেন, তাদের জন্য সাইকেল চালানো খুব ভালো এক্সসারাইজ।
জগিং বা দৌড়ানো: যারা বাড়ির বাইরে এক্সারসাইজ করতে পছন্দ করেন তারা জগিং করতে পারেন নিশ্চিন্তে। জগিং করার জন্য ভোর বা সন্ধ্যাবেলা সবচাইতে ভালো সময়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, অ্যারোবিক এক্সারসাইজের মধ্যে জগিং সবচেয়ে ভালো এক্সারসাইজ। কেননা এতে অতিরিক্ত মেদ কমানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
Source: http://www.sasthabangla.com/know-yourself/tips/fitness-tips/417-aerobic-exercise#ixzz1ptnIWYAQ
Under Creative Commons License: Attribution No Derivatives
শারীরিক মিলনের নানা দিক
ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে—
* ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
* জীবন কাল বাড়ে : নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
* ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় : বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
* পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় : যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
* মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি : মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
* ভালোবাসা বাড়ে : শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
* কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে : শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
* ভালো ঘুম হয় : শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
* আত্মবিশ্বাস বাড়ে : শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
* ওজন কমে : শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
* সৌন্দর্য্য বাড়ে : শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
* ভালো ত্বক : শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
* প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় : নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
* হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি : শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
* কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি : মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
* বিস্বস্ত তা বাড়ে : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
* রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় : শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়
Source: http://www.sasthabangla.com/know-yourself/tips/sex-tips/269-sexual-relationship#ixzz1ptmtMBOD
Under Creative Commons License: Attribution No Derivatives
কোমল পানীয় থেকে বিরত থাকুন
প্রতিদিন চিনির পরিমাণ বেশিযুক্ত কোমল পানীয় পান করলে হৃদরোগের ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায় বলে একটি গবেষণায় দেখা গেছে।
প্রায় ৪০ হাজার মানুষের ওপর ওই গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সেখানে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন চিনির পরিমাণ বেশি এমন ধরণের কোমল পানীয় পান করেন তাদের হার্ট এটাকের সম্ভাবনা স্বাভাবিকের তুলনায় ২০ গুণ বেড়ে যায়।
গবেষক লরেন্স ডি কোনিং বলেন, কোমল পানীয় বেশি পান করলে মানুষের শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি চর্বি জমে। কেননা কোমল পানীয়তে চিনির আধিক্য থাকায় শরীর তা বেশি বেশি গ্রহণ করে। আর অতিরিক্ত চিনি হার্টের জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের সবারই জানা।
এই পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, সাধারণত চিনিযুক্ত পানীয় (দুধ, চা, চিনি, মদ, অন্যান্য কোমল পানীয়) অধিকহারে গ্রহণের প্রবণতা যাদের থাকে তাদের রক্তে চর্বি ও প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা হৃদরোগের জন্য অন্যতম দায়ী।
‘সার্কুলেশন’ জার্নালে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে জানা যায়, যারা প্রতিদিন এসব পানীয় পান করেন তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, সেখানে কোলেস্ট্রলের মাত্রা বেশি।
এছাড়া এর আগেও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, শর্করা যুক্ত কোমল পানীয় ডায়াবেটিস এবং ওজন বাড়ানোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
প্রায় ৪০ হাজার মানুষের ওপর ওই গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সেখানে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন চিনির পরিমাণ বেশি এমন ধরণের কোমল পানীয় পান করেন তাদের হার্ট এটাকের সম্ভাবনা স্বাভাবিকের তুলনায় ২০ গুণ বেড়ে যায়।
গবেষক লরেন্স ডি কোনিং বলেন, কোমল পানীয় বেশি পান করলে মানুষের শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি চর্বি জমে। কেননা কোমল পানীয়তে চিনির আধিক্য থাকায় শরীর তা বেশি বেশি গ্রহণ করে। আর অতিরিক্ত চিনি হার্টের জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের সবারই জানা।
এই পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, সাধারণত চিনিযুক্ত পানীয় (দুধ, চা, চিনি, মদ, অন্যান্য কোমল পানীয়) অধিকহারে গ্রহণের প্রবণতা যাদের থাকে তাদের রক্তে চর্বি ও প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা হৃদরোগের জন্য অন্যতম দায়ী।
‘সার্কুলেশন’ জার্নালে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে জানা যায়, যারা প্রতিদিন এসব পানীয় পান করেন তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, সেখানে কোলেস্ট্রলের মাত্রা বেশি।
এছাড়া এর আগেও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, শর্করা যুক্ত কোমল পানীয় ডায়াবেটিস এবং ওজন বাড়ানোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
আকুপ্রেসার : ওষুধের বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি
ইসমাইল হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
শরীরের অঙ্গগুলোকে সচল রাখতে পারলেই সুস্থ থাকবে মানবদেহ। আর এর জন্য প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখা এবং নিয়মিত কিছু শারীরিক অনুশীলন। এক্ষেত্রে আকুথেরাপি হয়ে উঠতে পারে ওষুধের বিকল্প উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি।
আকুথেরাপিস্টদের মতে, কেবল এ পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে মানবদেহের শতকরা ৮০ ভাগ রোগ নিরাময় সম্ভব। অর্থ খরচ কমানোর পাশাপাশি অনেক জটিল রোগের হাত থেকেও মুক্তি মিলতে পারে।
শনিবার সকালে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে এক কর্মশালায় দেশের বিশিষ্ট আকুথেরাপিস্টরা এসব তথ্য জানান।
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনফারেন্স কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
`আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে` শীর্ষক এ কর্মশালায় দেশের আকুথেরাপিস্ট আলাউদ্দিন বিশ্বাস, রুহুল আমীন, সিরাজুল মুনীর, আলমগীর আলম ও ফারুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার প্রথম পর্বে ওষুধের বিকল্প এ চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আকুথেরাপিস্টরা বলেন, মানবদেহের প্রত্যেকটি অঙ্গ আরেকটি অঙ্গের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। এই অঙ্গগুলো ঠিকমতো সচল রাখতে পারলে শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ থাকবে।
তারা বলেন, আকুথেরাপি হল শরীরের ব্যবহারিক বিষয়। মানবদেহের রোগ নির্ণয়, রোগ নিরাময় এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন আকুথেরাপি। শরীরে সুচের মতো চাপ প্রয়োগ করে আকুথেরাপি দেওয়া হয়।
আকুথেরাপিস্টদের মতে, মানবদেহ হল সুপার কম্পিউটার। কম্পিউটার যেমন কমান্ড ছাড়া কাজ করে না। ঠিক তেমনি দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গ কমান্ডের মাধ্যমে কাজ করে। আর মানবদেহের হাত ও পায়ের তালুর সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সম্পর্ক বিদ্যমান। এক্ষেত্রে হাত এবং পায়ের তালুতে সামান্য চাপ প্রয়োগ করে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, কোমর ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঘাড় ব্যথাসহ বিভিন্ন হাইপার টেনশনজনিত রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এমনকি ক্যান্সার থেকেও মুক্তি দিতে পারে আকুথেরাপি।
তবে এই অনুশীলন নিয়মিত ও ঠিকমতো করতে হবে।
আকুথেরাপিস্টরা বলেন, খাদ্যগ্রহণ এবং লাইফ স্টাইল ঠিক রাখার মধ্য দিয়ে শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ রাখা যায়। খাদ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে শরীরে জৈব শক্তি অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এই জৈব শক্তি শরীরে শক্তি জোগায়।
উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, যে কোনো কঠিন খাদ্য একটু চিবিয়ে খেলে তাতে মুখের লালা মিশ্রিত হয়। এতে খাদ্য দ্রুত হজম হবে।
এছাড়া সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হলে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে। তাতে রোগ বালাই থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে। এর জন্য প্রয়োজন লাইফ স্টাইল ঠিক রাখা। হাত-পায়ের ছোটখাট কিছু ব্যায়াম হতে পারে শরীরে ভারসাম্য রক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় উপায়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আকুথেরাপি বর্তমানে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অ্যান্টিবায়োটিকের মতো ওষুধের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তারা এখন আকুথেরাপির দিকেই মনোনিবেশ করছেন।
কর্মশালায় উপস্থিত আকুথেরাপিস্টরা জানান, বাংলাদেশে ২০০৩ সাল থেকে আকুথেরাপির বিষয়ে কাজ করছেন তারা। তাদের প্রচেষ্টায় ‘সুচিকিৎসা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনও গড়ে উঠেছে।
ফাইন্ডেশনের সভাপতি রুহুল আমীন বলেন, ‘জীবন ধারার সঙ্গে শরীর কিভাবে সুস্থ রাখা যায় আকুথেরাপি তারই একটা পদ্ধতি মাত্র। আকুথেরাপি মানবদেহের রোগ নিরাময়ে শরীরকে সাহায্য করে এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও অনালগ্রন্থি যথাযথ সক্রিয় রাখে। যার ফলে আমরা নিখুঁত স্বাস্থ্যের অধিকারী হই।’
তিনি বলেন, লাইফ স্টাইল এবং খাদ্য গ্রহণ পদ্ধতি ঠিক থাকলে শরীর শতভাগ সুস্থ রাখা সম্ভব।
ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘আজীবন শরীর সুস্থ রাখতে হলে আকুপ্রেসার দরকার। এর মাধ্যমে শরীরের ৮০ ভাগ রোগ নিরাময় সম্ভব।’
বর্তমানে এই চিকিৎসা পদ্ধতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এটাকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন।
কর্মশালায় অংশ গ্রহণকারীদের শারীরিক বিভিন্ন কসরতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কিছু সমস্যারও সমাধান পাওয়া যায়।
পরে বাংলানিউজের পাঠকদের পাঠানো নানা প্রশ্নের উত্তর প্রদান পর্ব পরিচালনা করা হয়।
কর্মশালায় বাংলানিউজের হেড অব নিউজ মাহমুদ মেনন খান, কান্ট্রি এডিটর সাইফুল ইসলাম, হেলথ এডিটর তানিয়া আফরিন, কালচারাল এডিটর রবাব রসাঁ, লাইফ স্টাইল এডিটর শারমীনা ইসলাম ছাড়াও সংবাদ মাধ্যমটির বিভিন্ন সেকশনের কর্মীরা অংশ নেন।
আকুপাংচার : শিশুদের জন্য নিরাপদ
সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের বয়স ১৮ বছরের কম তাদের জন্য আকুপাংচার চিকিৎসা খুবই উপকারি।
এতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে এবং এই চিকিৎসা পদ্ধতি স্বাভাবিক যে কোনো চিকিৎসার চেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ।
আকুপাংচার মূলত ব্যথা, মাথাব্যথা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যসহ কিছু রোগের বিকল্প চিকিত্সা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এখনও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে যে, কম বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্য এই চিকিৎসা পদ্ধতি নিরাপদ কিনা?
গবেষণায় অংশগ্রহণকারী আলবার্তো বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনিতা ভোরা জানান, প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টদের হাতে আকুপাংচার শিশুদের জন্য নিরাপদ। বিষয়টি গবেষণালব্ধ এবং প্রমাণিত।
গবেষকরা আরো বলেন, আকুপাংচারে বিশেষ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া দুর্লভ। তবে যারা অভিজ্ঞ নয় তারা যদি এই থেরাপি দেয় তাহলে রোগীর ক্ষতি হতে পারে।
গবেষণাটি করার সময় অন্যান্য প্রায় ৩৭টি গবেষণা পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, অন্য যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় আকুপাংচারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। আর তারা প্রায় ১৪শ ২২ জন রোগীর রিপোর্ট পর্যালোচনা ও গণনা করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।
আকুপাংচারের হালকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে সামান্য ব্যথা এবং হাল্কা রক্তপাত হওয়া ছাড়া তেমন কিছুই লক্ষ্য করা যায়নি গবেষণায়।
আকুপাংচারের সময় কিছু কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনাগুলো ঘটার কারণ হিসেবে গবেষকরা বলেন, এগুলো হয়েছে নিকৃষ্ট মানের অনুশীলন এবং হালকা ও অপরিষ্কার সূচ ব্যবহারের কারণে।
১৯৮০ সালের দিকে চীনে এরকম একটি ঘটনা পাওয়া যায়। চীনা এক কেন্দ্রে আকুপাংচার চিকিত্সা করার পর ১৭ বছর বয়সী একজন বালকের মধ্যে এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
ভোরা আরো জানান, আকুপাংচার চিকিত্সার এমন কিছু চমত্কার এবং অস্বাভাবিক ফলাফল পাওয়া গেছে যা আধুনিক চিকিত্সা দিয়েও সম্ভব নয়।
মেরিল্যান্ড চীনা মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল কনসালটেন্ট অ্যাডলিন জি বলেন, বাবা মাকেই তার সন্তানের জন্য শিশুরোগ পুষ্টিবিদদের কাছ থেকে সুপারিশ নিয়ে তারপর আকুপাংচার চিকিত্সকের কাছে যেতে হবে।
তিনি বাবা মাকে পরামর্শ দেন যে, মা বাবা তাদের সন্তানদের চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার পর ওই শিশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত সূচগুলো পরিষ্কার এবং নিরাপদ কিনা তা পরীক্ষা করে নেয়া উচিত।
আকুপাংচার দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বাঞ্ছনীয় নয় বলেও গবেষকরা জানান।
সাধারণত, আকুপাংচার খুব নিরাপদ থেরাপি। বয়স বিবেচনা করে এটি বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ এবং ফলপ্রসূ।
ওজন কমাতে লেবু-মধু পানীয়
ডা. মালিহা শিফা
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মতো ওজন না বাড়িয়ে বরং কমায়। কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এসব উপাদান ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমাতে বা ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। তাই ওজন বাড়াতে পারে।
কিন্তু মধুতে এসব উপাদান থাকার ফলে এগুলো হজমে সহায়ক এবং ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমায়। তাই এই পানীয় ওজন কমায়।
তাছাড়া সকালে উঠেই শরীর যদি পানি জাতীয় কিছু পায়, তবে তা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে একই রকম শারীরিক পরিশ্রম করেও আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির কারণে ওজন কমতে পারে।
লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালি :
এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, আধা চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সঙ্গে সবুজ চা মেশাতে পারেন।
যা লক্ষ্য রাখবেন :
-আগে পানি হালকা গরম করে তারপর লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু কখনও গরম করতে যাবেন না।
-যদি ঠাণ্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে। মানে আপনার ওজন বাড়বে।
লেবু-মধু পানীয়ের উপকারিতা :
-এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। শরীরের ভেতরের নালিগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়।
-মেটাবলিজম বা হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে।
-ঠাণ্ডা লাগলে এই পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা করলেও এটি উপকারী।
-এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
-শরীরে শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়।
-কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
কখন খাবেন :
সাধারণত সকালে উঠেই প্রথম পানীয় হিসেবে খালি পেটে এটি খাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন।
মধুর উপকারিতা :
• মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আলাদাভাবে থাকে, কিন্তু চিনিতে তা একসঙ্গে থাকে। ফ্রুকটোজ তাড়াতাড়ি গ্লুকোজের মতো শরীরে ক্যালরি হিসেবে জমা হয় না। তাই চিনির মতো মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না। ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম।
-মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুমিয়ে পড়া যায়।
• মধু প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসেবে পরিচিত। যা শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ইনফেকশন দূর করে। ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালিগুলো উন্নত হয় এবং মানুষ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়।
• মধু হজমে সহায়ক। তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন।
• মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
• মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
• চোখের জন্য ভালো।
• গলার স্বর সুন্দর করে।
• শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
• আলসার সারাতে সাহায্য করে।
• নালীগুলো পরিষ্কার করে।
• ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
• মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
• বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে।
• শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
লেবুর উপকারিতা :
• লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।
• লেবুর এই উপাদানগুলো টনসিল প্রতিরোধ করে।
• এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
• লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
• লেবু আর্থাইটিস রোগীদের জন্য ভালো।
• লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
• লেবু এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কার রাখে। ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
• কালোদাগ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমায়।
• লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
• কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
• শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
• পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
• রক্ত পরিশোধন করে।
• ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
• শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
• শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।
সাবধানতা :
যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এটি খালি পেটে খাবেন না। কারণ লেবু এসিটিক। তাই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এটি খাবেন।
তাছাড়া লেবুর এসিড দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকর, তাই এই পানীয় খাবার সঙ্গে সঙ্গে কুলি করবেন অথবা পানি খাবেন।
একটা কথা মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় শুধুই সহায়কমাত্র। সম্পূর্ণ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে অবশ্যই থাকতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।
লেখক : ডা. মালিহা শিফা, কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কর্মকর্তা, মেরি স্টোপস
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ওজন কমাতে আমরা যেন অনেকে একটু বেশিই সচেতন। তবে ওজন বাড়ানোর সময় এ বিষয়টি খুব কম লোকেরই খেয়াল থাকে। তাই মনে রাখা ভালো ওজন কমানোর চেয়ে ওজন না বাড়ানোই ভালো।
ওজন কমাতে আমরা চা, ওজন কমানোর ওষুধ কিংবা ব্যায়ামও করে থাকি। তবে চা এবং ওজন কমানোর ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।
তবে ওজন কমাতে প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু কার্যকরী। তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত। ওজন কমাতে দু’টি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন। ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে।
মধু কীভাবে ওজন কমায় :
ওজন কমাতে আমরা চা, ওজন কমানোর ওষুধ কিংবা ব্যায়ামও করে থাকি। তবে চা এবং ওজন কমানোর ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।
তবে ওজন কমাতে প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু কার্যকরী। তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত। ওজন কমাতে দু’টি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন। ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে।
মধু কীভাবে ওজন কমায় :
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মতো ওজন না বাড়িয়ে বরং কমায়। কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এসব উপাদান ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমাতে বা ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। তাই ওজন বাড়াতে পারে।
কিন্তু মধুতে এসব উপাদান থাকার ফলে এগুলো হজমে সহায়ক এবং ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমায়। তাই এই পানীয় ওজন কমায়।
তাছাড়া সকালে উঠেই শরীর যদি পানি জাতীয় কিছু পায়, তবে তা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে একই রকম শারীরিক পরিশ্রম করেও আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির কারণে ওজন কমতে পারে।
লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালি :
এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, আধা চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সঙ্গে সবুজ চা মেশাতে পারেন।
যা লক্ষ্য রাখবেন :
-আগে পানি হালকা গরম করে তারপর লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু কখনও গরম করতে যাবেন না।
-যদি ঠাণ্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে। মানে আপনার ওজন বাড়বে।
লেবু-মধু পানীয়ের উপকারিতা :
-এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। শরীরের ভেতরের নালিগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়।
-মেটাবলিজম বা হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে।
-ঠাণ্ডা লাগলে এই পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা করলেও এটি উপকারী।
-এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
-শরীরে শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়।
-কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
কখন খাবেন :
সাধারণত সকালে উঠেই প্রথম পানীয় হিসেবে খালি পেটে এটি খাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন।
মধুর উপকারিতা :
• মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আলাদাভাবে থাকে, কিন্তু চিনিতে তা একসঙ্গে থাকে। ফ্রুকটোজ তাড়াতাড়ি গ্লুকোজের মতো শরীরে ক্যালরি হিসেবে জমা হয় না। তাই চিনির মতো মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না। ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম।
-মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুমিয়ে পড়া যায়।
• মধু প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসেবে পরিচিত। যা শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ইনফেকশন দূর করে। ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালিগুলো উন্নত হয় এবং মানুষ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়।
• মধু হজমে সহায়ক। তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন।
• মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
• মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
• চোখের জন্য ভালো।
• গলার স্বর সুন্দর করে।
• শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
• আলসার সারাতে সাহায্য করে।
• নালীগুলো পরিষ্কার করে।
• ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
• মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
• বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে।
• শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
লেবুর উপকারিতা :
• লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।
• লেবুর এই উপাদানগুলো টনসিল প্রতিরোধ করে।
• এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
• লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
• লেবু আর্থাইটিস রোগীদের জন্য ভালো।
• লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
• লেবু এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কার রাখে। ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
• কালোদাগ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমায়।
• লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
• কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
• শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
• পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
• রক্ত পরিশোধন করে।
• ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
• শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
• শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।
সাবধানতা :
যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এটি খালি পেটে খাবেন না। কারণ লেবু এসিটিক। তাই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এটি খাবেন।
তাছাড়া লেবুর এসিড দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকর, তাই এই পানীয় খাবার সঙ্গে সঙ্গে কুলি করবেন অথবা পানি খাবেন।
একটা কথা মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় শুধুই সহায়কমাত্র। সম্পূর্ণ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে অবশ্যই থাকতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।
লেখক : ডা. মালিহা শিফা, কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কর্মকর্তা, মেরি স্টোপস
আদা অন্ত্র ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
: আমরা জানি আদার অনেক ধরণের ভেষজগুণ আছে। বাঙালির ঘরে দৈনন্দিন আদার ব্যবহারও কম নয়। তরকারির স্বাদ বর্ধনে, বিভিন্ন সালাদ তৈরিতে, ভর্তা কিংবা যেকোনো মাখনা, আবার চায়ের সঙ্গে আমরা আদা দিতে পছন্দ করি।
বাঙালির ঘরে আদার ব্যবহার আরো একধাপ বাড়িয়ে দিতে গবেষকরা যেন আরো গবেষণা করছেন এবং আদার গুণাগুণ বের করে চলেছেন।
সম্প্রতি পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, দিনে একটি করে আদা পায়ুপথ বা অন্ত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে ১৫ জনের একটি দলকে প্রতিদিন আদা খেতে দেওয়া হয়। এভাবে ২৮ দিন দু’গ্রাম করে আদা খেতে দেন গবেষকরা। অন্যদিকে অপর ১৫ জনের দলটিকে একই সময়ে প্ল্যাসিবো ট্যাবলেট দেন।
ফলাফলে দেখা যায়, ১৫ জন প্ল্যাসিবো গ্রহণকারীর তুলনায় যারা প্রতিদিন আদা খেয়েছে সেই দলটির মাঝে পায়ুপথের প্রদাহ কম পরিলক্ষিত হয়েছে।
ভেষজ চিকিৎসক সুজানা রিক বলেন, তুলনামূলক কম ক্ষতিকর যেসব ক্যান্সার হয়ে থাকে তা প্রতিরোধে আদা খুবই কার্যকরী। আর গবেষণায় সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি আদা মানুষের জীবনমান বৃদ্ধি করে। এছাড়া কম খরচে অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রতিদিন একটি করে আদা খাওয়াই যথেষ্ট।
‘আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ’ এর একটি জার্নালে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
আদার ছয়টি উপকারিতা :
ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে : মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ক্যান্সার সেন্টারে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আদাগুড়ো ওভারিয়ান ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলে।
গর্ভাবস্থায় অসুস্থতা কমিয়ে দেয় : যেসব নারী প্রথম গর্ভধারণ করে কিংবা ১৯ থেকে ২৭ বছর পর্যন্ত গর্ভধারণের সময় প্রথমদিকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে বলা যায় আদার বিকল্প নেই। গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে বমি বমি ভাব, দুর্বলতা ও অরুচি কমাতে আদা বেশ উপকারী। ‘ধাত্রীবিদ্যা এবং গাইনোকলজি’ বিভাগের একটি জার্নালে গবেষণালব্ধ এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
ভ্রমণকালীন অসুস্থতা রোধে : আমাদের দেশে রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে জিনজার (আদা) গুড়োর বক্স পাওয়া যায়। সাধারণত এসব বক্স ভর্তি আদা রাস্তায় বিক্রি হয়ে থাকে। আসলে চলাচল করার সময় বমি ভাব থাকলে জিনজারের বক্স কিনে মুখে দিতে দেখা যায় অনেককে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্লেনে, বাসে, ট্রেনে বা বিভিন্ন যানবাহনে চলার সময় মোশন সিকনেসের কারণে বমি বমি ভাব হয়। এই বমি বমি ভাব কমাতে আদা বেশ কার্যকর।
বুকজ্বলা কমাতে : হজমে সাহায্যের জন্য এবং বুকজ্বলা কমাতে যুগ যুগ ধরে চীনারা আদার ব্যবহার করে আসছে। এটি তাদের একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি। চীনের এই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি এখন অনেক দেশেই প্রচলিত। বুক জ্বালাপোড়া কমাতে তাই আদা খাওয়া হয়।
ঠাণ্ডা, জ্বর এবং ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা প্রতিরোধে : আদা ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা রোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এক কাপ ফোঁটানো পানিতে এক ফালি তাজা আদা ও লেবু মিশ্রন খেলে ঠাণ্ডাজনিত হাঁচি, কাশি এবং জ্বর কমে যায়।
নারীদের মাসিক অসুস্থতা রোধে : ২০০৯ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নারীদের মাসিক শুরুর প্রথম তিনদিন, চারবার আড়াইশ’ মিলিগ্রাম করে আদা খেলে পেটের ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। যা ওষুধ খেয়ে সম্ভব হলেও তার অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে যায়।
তাই আজ থেকে ঘরে আদা রেখে নিজেই হয়ে যান নিজের সেবক বা ডাক্তার। মনে রাখবেন শরীরের যত্নে আদার বিকল্প কিন্তু ওষুধ নয়।
বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১২
আলোকিত বাড়ি
আলোকিত বাড়ি

আলোহীন জীবনের কথা আমরা ভাবতেও পারি না। আলোর সঠিক এবং বৈচিত্রপূর্ণ ব্যবহার আমাদের বাড়িটিকে নান্দনিক করে তোলে। বাড়ির প্রতিটি ঘরে আলোর ব্যবহারে চাই ভিন্নতা। তবেই আমাদের বাড়ির আলোর সাজ হয়ে উঠতে পারে অন্যের কাছে অনুকরণীয়।
বসার ঘর
অতিথি আপ্যায়নে সবসময়ই বসার ঘরটি পরিপাটি করে রাখতে হয়। আমাদের বসার ঘরের আলোকসজ্জাকে অবশ্যই হতে হবে আধুনিক ও সুন্দর। স্ট্যান্ডিং লাইট হলে সোফার ডান বা বাম পাশে লাইট রাখুন। ঝোলানো সুন্দর বাতি হলে তা মাঝে ঝুলিয়ে তার দু বা চারপাশে সোফা রাখুন। যদি কোণাকুণি করে বাতি রাখেন তবে বসার ঘরটিকে দেখতে বড় দেখাবে। টিভি দেখার সময় অবশ্যই লাইট কমিয়ে নিতে হবে। অতি উজ্জল আলোতে টিভি দেখলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে।
শোবার ঘর
আমাদের দিনের শুরুটা এবং শেষটা হয় বেডরুমে। তাই এই রুমের সাজসজ্জা ও লাইটিং হবে আরামদায়ক, রোম্যান্টিক ও আধুনিক। বেডরুমের আকৃতি ও আসবাবপত্র বুঝে লাইটিং করুন। আসবাবপত্রে যাতে আলো বাধাগ্রস্থ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। বেডরুমে উঁচু লাইট ব্যবহার না করাই ভাল। আলো যাতে আপনার চোখে সরাসরি না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখুন। অনেক বেশি লাইটিং আপনার ঘুম বা আরামে বাধা হতে পারে।
বাবুর ঘর
আপনার বাসার ছোট্ট বাবুর রুমটি হবে তার বয়স অনুযায়ী। সাধারণত আলো ঝলমলে রঙিন পরিবেশ বাচ্চারা পছন্দ করে। কার্টুনের মলাট দেয়া নানা আকৃতির লাইট বাচ্চারা পছন্দ করবে। তবে খেয়াল রাখবেন যাতে অতিরিক্ত না হয়ে যায়। বাচ্চার রুমের রঙ অনুযায়ী লাইট নির্বাচন করুন। তার পড়ালেখার টেবিলের ওপর অবশ্যই একটি লাইট দেবেন।
খাবার ঘর
খাবার ঘরের সিলিং-এ উজ্জল আলো ব্যবহার করুন। আপনার খাবার ঘরের টেবিলের ওপর থাকবে খাবার ঘরের বাতিটি। এতে ঘরটি বড় ও খোলামেলা লাগবে। আপনার খাবার ঘরের আকৃতি বুঝে বাতির সংখ্যা ঠিক করুন। খাবার ঘরটি যদি ডিজাইন করতে চান তাহলে সিলিং ও লাইটের রঙ-এ সামঞ্জস্য রাখতে পারেন।
রান্না ঘর
রান্না ঘর একটি বাড়ির সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে সবার জন্য রান্না করা হয়। তাই রান্না ঘরের বাতির পরিমাণ হবে বুঝেশুনে। ধরুন আপান্র রান্নাঘরটি যদি ১০০ বর্গফুটের হয় তাহলে সেখানে লাইটের সংখ্যা হবে ২ টি, আর ২৫০ বর্গফুটের হলে হবে ৪ টি। সব্জি কাটার স্থানটি উজ্জল হবে যাতে কাটাকুটিতে দেখার কোন সমস্যা না হয়। চুলার ওপর অবশ্যই একটি বাতি রাখবেন যাতে আপনার রান্না করতে সুবিধা হয়।
বাথরুম
বাথরুমে পর্যাপ্ত আলো হওয়াটা জরুরি। বেসিনের আয়নার ওপর লাইট প্লেসমেন্ট করুন। টাইলসের রঙ হতে হবে হাল্কা। যেমন হাল্কা সবুজ বা হলুদ টাইলস হলে তাতে সাদা লাইট দিলে আপনার বাথরুমটি যতই ছোট হোক তাকে বড় আর খোলামেলা লাগবে।
প্রয়োজন আর রুচির সমন্বয় করে আপনার বাড়িটিকে আলোকিত করে তুলুন।
ঘরের সৌন্দর্যে পেইন্টিংস্
ঘরের সৌন্দর্যে পেইন্টিংস্
প্রীতি ওয়ারেছা
ঘরে নানা রকমের আসবাবের উপস্থিতি আমরা পছন্দ করি। সামর্থ্য অনুযায়ী ডেকোরেশন নিয়েও ভাবি। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর ঘরই বিশ্রামের জায়গা, তাই একে সৌন্দর্য্যমন্ডিত করতে আমাদের কত না ভাবনা! এরই আলোকে আজ ইন্টেরিওর ডেকোরেশনের রুচিসম্মত একটা অংশ পেইন্টিংস্ নিয়ে কথা বলব।
ঘরে ঢুকে যদি পছন্দের কোন পেইন্টিংসে আপনার চোখ পড়ে দেখবেন নিমেষে সারাদিনের ক্লান্তি চলে যাবে। আমাদের ঘরে থাকা পেইন্টিংসের মাধ্যমে অনন্য রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
ঘর সাজাতে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে পেইন্টিংসের ব্যবহার। বর্তমানে পেইন্টিংস্ েনানারকম উপাদান ব্যবহার করছেন শিল্পীরা। নিত্যনতুন ফিউশনের মাধ্যমে শিল্পীরা নিজেদের যেমন ঢেলে সাজাচ্ছেন তেমনি কৌতুহলী মানুষের মাঝে তীব্র আকর্ষন সৃষ্টি করে চলেছেন।
বেডরুম, লিভিংরুম, কিডস্ রুম, ডাইনিং স্পেস সব জায়গার সাথে মানানসই চিত্রকর্ম ঘরকে অনেক নান্দনিক করে তুলবে। ঘরে বাচ্চা থাকলে ওদের হাতের এবরোথেবরো আঁকা পেইন্টিংস্ও কিডস্ রুমে টাঙ্গিয়ে রাখতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায়, যে কারও ভাল লাগবে সেই পেইন্টিংস্। আমরা ইচ্ছে করলে দেশ বিদেশের বিখ্যাত শিল্পীদের পেইন্টিংস ঘরে রাখতে পারি। ঢাকায় অনেক চিত্র প্রদর্শনী হয়ে থাকে। পছন্দ হলে সেখান থেকেও সংগ্রহ করতে পারি পছন্দের পেইন্টিংস্। আবার ইন্টেরিওর ডেকোরেশনের দোকানেও মনমুগ্ধকর বৈচিত্রময় সব পেইন্টিংস্ পাওয়া যায়।
ঘরে শৈল্পিক আবহ আনতে কিংবা পছন্দের পেইন্টিংস্ এর জায়গা নির্বাচন করতে আমরা ইন্টেরিওর ডিজাইনারের পরামর্শও নিতে পারি। নান্দনিক পেইন্টিংস্ দিয়ে আমাদের ঘর অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলতে পারি।
ঘরে ঢুকে যদি পছন্দের কোন পেইন্টিংসে আপনার চোখ পড়ে দেখবেন নিমেষে সারাদিনের ক্লান্তি চলে যাবে। আমাদের ঘরে থাকা পেইন্টিংসের মাধ্যমে অনন্য রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
ঘর সাজাতে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে পেইন্টিংসের ব্যবহার। বর্তমানে পেইন্টিংস্ েনানারকম উপাদান ব্যবহার করছেন শিল্পীরা। নিত্যনতুন ফিউশনের মাধ্যমে শিল্পীরা নিজেদের যেমন ঢেলে সাজাচ্ছেন তেমনি কৌতুহলী মানুষের মাঝে তীব্র আকর্ষন সৃষ্টি করে চলেছেন।
বেডরুম, লিভিংরুম, কিডস্ রুম, ডাইনিং স্পেস সব জায়গার সাথে মানানসই চিত্রকর্ম ঘরকে অনেক নান্দনিক করে তুলবে। ঘরে বাচ্চা থাকলে ওদের হাতের এবরোথেবরো আঁকা পেইন্টিংস্ও কিডস্ রুমে টাঙ্গিয়ে রাখতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায়, যে কারও ভাল লাগবে সেই পেইন্টিংস্। আমরা ইচ্ছে করলে দেশ বিদেশের বিখ্যাত শিল্পীদের পেইন্টিংস ঘরে রাখতে পারি। ঢাকায় অনেক চিত্র প্রদর্শনী হয়ে থাকে। পছন্দ হলে সেখান থেকেও সংগ্রহ করতে পারি পছন্দের পেইন্টিংস্। আবার ইন্টেরিওর ডেকোরেশনের দোকানেও মনমুগ্ধকর বৈচিত্রময় সব পেইন্টিংস্ পাওয়া যায়।
ঘরে শৈল্পিক আবহ আনতে কিংবা পছন্দের পেইন্টিংস্ এর জায়গা নির্বাচন করতে আমরা ইন্টেরিওর ডিজাইনারের পরামর্শও নিতে পারি। নান্দনিক পেইন্টিংস্ দিয়ে আমাদের ঘর অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলতে পারি।
শনিবার, ৩ মার্চ, ২০১২
রান্না করুন পুষ্টিগুণ বজায় রেখে
ঘর সাজানোর মত অতিথির সামনে টেবিল ভর্তি খাবার সাজিয়ে দিতে কার না ভালো লাগে। আবার সেই খাবার যদি হয় মুখরোচক তাহলে তো কথাই নেই।
রন্ধনপদ্ধতি খাবারকে যেমন আকর্ষণীয়, সুগন্ধযুক্ত ও সহজপাচ্য করে তুলে তেমনি রান্নার আরও একটি বিশেষ গুণ হলো এতে অনেক ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস হয়।
খাবারকে আকর্ষণীয় করার জন্য আমরা রান্নায় কত উপাদানই না ব্যবহার করি। কিন্তু খাবার শুধু মুখরোচক ও আকর্ষণীয় হলেই তো হবে না, খেয়াল রাখতে হবে এতে পুষ্টিগুণ কতটুকু বজায় থাকল। রান্না করার আগে ও রান্নার সময় আমরা জেনে না জেনে খাবারের অনেক পুষ্টির অপচয় করি।
যেমন রান্নার সময় আমিষ বা চর্বি জাতীয় খাবারের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল এর অপচয় বেশি হয়। ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে পানিতে দ্রবীভূত না হলেও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি খুব সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং এই দু’টো ভিটামিন আলো, বাতাস ও তাপেও খুব দ্রুত নষ্ট হয়।
একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এই অপচয় রোধ করা যায়। আসুন জেনে নেই খাবারের পুষ্টিগুণ অপচয় রোধে আমাদের কি কি করণীয়:
- আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত তাপে নষ্ট হয়। তাই এসব খাবার খুব বেশি সময় ধরে রান্না করা উচিৎ নয়।
- শাকসবজি কাটার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
- শাকসবজি খুব ছোট ছোট টুকরা না করে যতটা সম্ভব বড় করে কাটতে হবে কারণ তাতে বাতাসের সংস্পর্শে ভিটামিনের অপচয় কম হয়।
- ফলমূল ও সবজির খোসার নিচেই ভিটামিন বেশি থাকে, তাই খুব মোটা করে খোসা কাটা উচিৎ নয়।
- কাটা শাকসবজি খুব বেশি সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিৎ নয় তাতে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অপচয় হয়।
- শাকসবজি অনেকক্ষণ কেটে না রেখে রান্না করার আগমুহূর্তে কাটলে ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’ এর অপচয় রোধ করা যাবে।
- শাক রান্না করার সময় অবশ্যই পরিমাণমত তেল দিতে হবে। তা না হলে তেলে দ্রবণীয় ভিটামিন যেমন ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যাবে না।
- আপেল, পেয়ারা, কামরাঙ্গা জাতীয় ফলমূলের কখনও খোসা ফেলে দেয়া উচিৎ নয়। কারণ খোসার নিচেই প্রধান পুষ্টি উপাদান এবং আঁশ থাকে।
- রান্নার আগে চাল খুব বেশি সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিৎ নয় কিংবা বারবার ধোয়া উচিৎ নয়। এতে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যেমন ভিটামিন ‘বি১’ বা ‘থায়ামিন’ এর অপচয় হয়।
- ভাত রান্নার সময় ভাতের মাড় ফেলে না দিয়ে পরিমাণ মতো পানিতে রান্না করা উচিৎ।
- মাছ, মাংস বা ডিম রান্না করার সময় কম পানিতে দ্রুত আঁচে রান্না করুন। এতে ভিটামিন ‘বি১২’ এর অপচয় রোধ করা যাবে।
- ভিটামিন সি এর অপচয় রোধে শাকসবজি রান্না করার সময় অতিরিক্ত পানিতে সিদ্ধ না করে পরিমাণমত পানিতে রান্না করা উচিৎ।
- শাকসবজি সিদ্ধ পানি ফেলে দেয়া উচিৎ নয়।
- মূল জাতীয় সবজি যেমন আলু, কচু, মিষ্টি আলু খোসাসহ সিদ্ধ করে তারপর খোসা ফেলে দিলে ভিটামিন ‘সি’ এর অপচয় রোধ করা যাবে।
- রান্নার সময় ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায় তাই গাজর, শসা, টমেটো জাতীয় সবজি কাঁচা খাওয়া যেতে পারে।
- শাকে প্রচুর পানি থাকে তাই শাক রান্না করার সময় অতিরিক্ত পানি দেয়ার প্রয়োজন নেই।
- শাকসবজি ঠাণ্ডা পানিতে সিদ্ধ না করে পানি গরম করে তাতে সবজি ছেড়ে দিয়ে রান্না করলে পুষ্টিমান অনেকটাই বজায় থাকবে।
- রান্নার সময় খাবার সোডা ব্যবহার করলে ভিটামিন বি ও সি এর অপচয় হয়।
- মাইক্রোওয়েভ এবং প্রেসার কুকারে রান্না করলে খাবারের পুষ্টি উপাদান অনেকটাই বজায় থাকে কারণ এতে যেমন খুব তাড়াতাড়ি রান্না হয় আবার তেমন খুব বেশি পানিও দিতে হয় না ।
তাই এখন থেকেই পুষ্টিগুণ মেনে রান্না করুন। আর পরিবারসহ আপনাকে রাখুন সুস্থ এবং স্বাভাবিক।
লেখক : ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট, লেজার মেডিক্যাল সেন্টার
শুক্রবার, ২ মার্চ, ২০১২
বসে বসে কেন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন!
অফিসে যারা সারাক্ষণই বসে বসে কাজ করছেন তাদের জন্য দুঃসংবাদই বটে। গত বৃহস্পতিবার এক গবেষণার ফলাফলে এমনিই আশংকার কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষণার ওই প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে যে, অতিরিক্ত বসে থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
গবেষকরা আরও বলেন, প্রতিদিন যদি আপনি ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করেন তাতেও কোন উপকার হবেনা যদি আপনি ডেস্কমুখি হয়ে থাকেন।
আমেরিকান ইন্সটিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চ কনফারেন্স বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক এক ডেইলি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
কানাডার আলবার্ট হেলথ সার্ভিসের ক্যান্সার কেয়ারের একজন চর্ম গবেষক ক্রিস্টিয়ান ফ্রেডেনরিক জানান, বসে বসে কাজ করার কারনে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৪৯ হাজার নারী স্তন ক্যান্সার এবং ৪৩ হাজার মানুষের কোলন ক্যান্সার হয়ে থাকে।
গবেষণায় আরও বলা হয়, যদি মানুষ চলাফেরা করে কাজ করে তবে ফুসফুস, প্রস্টেট, জরায়ু ক্যান্সারসহ নানান ধরণের রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
এখানে বলা হয়, যদি আপনি অনেক সময় বসে টেলিভিশন দেখেন বা আড্ডাদেন তবে আপনি ডায়বেটিস ও বিষন্নতার মতো রোগেও আক্রান্ত হতে পারেন। গবেষণায় আরও দেখা যায় যদি আপনি দিনে কমপক্ষে দু’ঘণ্টা বসে টেলিভিশন দেখেন তাহলে আপনার হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
তবে এ ব্যাপারে গবেষকার আশার কথা শুনিয়েছেন । তারা বলেছেন, যদি আপনি কাজের ফাঁকে একটু হাঁটেন বা হাল্কা ব্যায়াম করেন তবে আপনার ঝুঁকি অনেক কমে যাবে।
আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চ থেকে বলা হয়েছে, ডেস্কে কাজ করার সময় প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় একটু করে বিরতি নিন। এক্ষেত্রে তারা উঠে দাঁড়াতে, চারিদিকে হাঁটাহাঁটি করতে বা অন্তত ঘাড় নাড়ানোর জন্য উপদেশ দিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, প্রতি ২০-৩০ মিনিট পর জোরে জোরে শ্বাস নিন তাতে নিজেকে অনেক হাল্কা মনে হবে।
এছাড়া আরও কিছু উপদেশ দিয়েছেন যার মধ্যে রয়েছে হেঁটে হেঁটে ফোনে কথা বলুন, সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন ই-মেইলে কিংবা সামাজিক ওয়েব সাইটে চ্যাট না করে এবং লিফ্ট ব্যাবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে চলাফেরা করুন।
আপনার নির্দিষ্ট ডেস্কে হাল্কা ভারি কোন বস্তু রাখুন যা দিয়ে আপনি কাজের ফাঁকে ব্যায়াম করতে পারেন। তাহলে এ ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যাবে এবং এত কাজের চাপ নিয়েও আপনি থাকবেন সুস্থ এবং ঝরঝরে।
গবেষণার ওই প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে যে, অতিরিক্ত বসে থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
গবেষকরা আরও বলেন, প্রতিদিন যদি আপনি ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করেন তাতেও কোন উপকার হবেনা যদি আপনি ডেস্কমুখি হয়ে থাকেন।
আমেরিকান ইন্সটিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চ কনফারেন্স বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক এক ডেইলি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
কানাডার আলবার্ট হেলথ সার্ভিসের ক্যান্সার কেয়ারের একজন চর্ম গবেষক ক্রিস্টিয়ান ফ্রেডেনরিক জানান, বসে বসে কাজ করার কারনে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৪৯ হাজার নারী স্তন ক্যান্সার এবং ৪৩ হাজার মানুষের কোলন ক্যান্সার হয়ে থাকে।
গবেষণায় আরও বলা হয়, যদি মানুষ চলাফেরা করে কাজ করে তবে ফুসফুস, প্রস্টেট, জরায়ু ক্যান্সারসহ নানান ধরণের রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
এখানে বলা হয়, যদি আপনি অনেক সময় বসে টেলিভিশন দেখেন বা আড্ডাদেন তবে আপনি ডায়বেটিস ও বিষন্নতার মতো রোগেও আক্রান্ত হতে পারেন। গবেষণায় আরও দেখা যায় যদি আপনি দিনে কমপক্ষে দু’ঘণ্টা বসে টেলিভিশন দেখেন তাহলে আপনার হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
তবে এ ব্যাপারে গবেষকার আশার কথা শুনিয়েছেন । তারা বলেছেন, যদি আপনি কাজের ফাঁকে একটু হাঁটেন বা হাল্কা ব্যায়াম করেন তবে আপনার ঝুঁকি অনেক কমে যাবে।
আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চ থেকে বলা হয়েছে, ডেস্কে কাজ করার সময় প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় একটু করে বিরতি নিন। এক্ষেত্রে তারা উঠে দাঁড়াতে, চারিদিকে হাঁটাহাঁটি করতে বা অন্তত ঘাড় নাড়ানোর জন্য উপদেশ দিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, প্রতি ২০-৩০ মিনিট পর জোরে জোরে শ্বাস নিন তাতে নিজেকে অনেক হাল্কা মনে হবে।
এছাড়া আরও কিছু উপদেশ দিয়েছেন যার মধ্যে রয়েছে হেঁটে হেঁটে ফোনে কথা বলুন, সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন ই-মেইলে কিংবা সামাজিক ওয়েব সাইটে চ্যাট না করে এবং লিফ্ট ব্যাবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে চলাফেরা করুন।
আপনার নির্দিষ্ট ডেস্কে হাল্কা ভারি কোন বস্তু রাখুন যা দিয়ে আপনি কাজের ফাঁকে ব্যায়াম করতে পারেন। তাহলে এ ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যাবে এবং এত কাজের চাপ নিয়েও আপনি থাকবেন সুস্থ এবং ঝরঝরে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)








